Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2020

আমি আমার আমি কে ছুইতে পারি নাই !

কেন যেনো মনে হয় আমি আমার আমি কে ছুইতে পারি নাই, একটু ধরিয়া দেখিতে যাই নাই, জানার কিছু চেষ্টাও করিয়া দেখি নাই 😴 আমার সকল আগ্রহ আর ইচ্ছা থেকে গেছে গণ্ডীর বাইরে সবসময়ই অন্য কারো সীমানায় আবদ্ধ। কি আশ্চর্য কথা..! - মাঝে মাঝে এ ও ভাবি নিজেকে নিজের সম্বল করিয়া , হামাগুড়ি থেকে হাটি হাটি পা পা করা না হলেও অন্যের সম্বল বস্তাবন্দি করিয়া অনায়াসেই পেরুনো হয়েছে বহু পথ । আমি রয়ে গেছি চুপচাপ , - যেনো ঘাসের ডগায় নুইয়ে পড়া শিশির , যেনো নরম রোদে সদ্য মুখ তোলা অঙ্কুর , যেনো শত সহস্র জাহাজের ভিড়ে বেমানান অনুগত ডিঙি নৌকো ... - কি এক অদ্ভুত ব্যাকরণে কারণে অকারণে আমার আষ্ঠে পৃষ্ঠে জড়িয়ে যায় সব । সব জড়িয়ে যায় । কেউ একজন আমার আমি কে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় আমার থেকে দূরে বহু দূরে ।। -১৩/০৮/২০১৯ -কবি

ইচ্ছে

পৃথিবী তে সুন্দর জিনিস গুলো কখনো কেনা যায় না...! যখন তখন পাওয়া যায় না, পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়.... এটাই প্রব্লেম..! নইলে কবেই একটুকরো জোছনা কিনে ফেলতাম..! আকাশ কালো করে আসা ঝুম বৃষ্টি টুকু কিনে ফেলতাম...

মানুষ যুক্তির সিড়ি থেকে সরে আসে...

  রুপা বললো, ওর হৃদয়ে হিমু ছাড়া ২য় কেউ নেই... মিসির আলি ওকে বুঝাবে কি করে.. হার্টে থাকে রক্ত,  আবেগ অনুভুতির স্থান ব্রেইন এ..!!! মিসির আলি চুপ করে গেলেন,  মনে মনে ভাবলেন.. তাই তো..! সবাই তো সব বুঝবে না..! সবার সবকিছু বোঝার প্রয়োজন ও নেই.  কেউ কেউ গবেষণা করে রকেট বানিয়ে চাঁদে যাবে ।  আর কেউ কেউ তার পাশের  কোনো প্রিয় মুখ কেই চাঁদ হিসেবে আবিষ্কার করবে ।  মানুষ যুক্তির সিড়ি থেকে সরে আসে,  থিসিস,হাইপোথিসিস এর ধারে কাছে ঘেষে না..  অচেনা মানুষ এর সাথে অজানা ভুবনে  ভুল পথে হাটতে পারাটাই বোধহয় মজার..  মিসির আলি সিগারেট ধরালেন..  রুপা চলে যাচ্ছে, তিনি পেছন থেকে দেখছেন ।  জলন্ত সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে উড়ে যাচ্ছে এই অসম্ভব মায়াবতীর মোহ..  'মায়া' খুব খারাপ জিনিস  মানুষকে যুক্তির সিড়ি থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে  ঠেলে দেয় অনিশ্চয়তার কুয়াশায়... - কবি

থমকে গিয়েছে সময় ...

  মনে হয় কখনো থমকে গিয়েছে সময়,  কিংবা সময় থমকে দিয়েছে  আমার চঞ্চলতা  কে সযত্নে...  আমি আমার নিরবতা কে পূজি করে  অপেক্ষায় থাকি আলোর..  যে আলোয় আলোকিত হয়েছে হাজার বছরের  কীর্তিমান দের পথ..

আঁধারের আলোয় ...

তীব্র চোখ ধাধানো আলোয় অজস্র পোকামাকড় ভীড় করলেও নিজের আলোয় উজ্জ্বল জোনাকিরা আসে না.. এদেরকে খুজে নিতে হয় অন্ধকারে এসে । আর একবার খুজে পেলে যত্ন করে রাখতে হয় যেনো কোথাও পালাতে না পারে...

বিদায় ২০১৯

একটু পরেই নতুন দশকের শুরু । হঠাত খেয়াল হলো চলে যাওয়া দশক নিয়ে কিছু লিখি । লেখালেখির অভ্যাস বহু পুরনো । আগে ডায়েরী লিখতাম , তারপরে সময়ের প্রয়োজনে চারকোণা স্ক্রিনে লেখালেখি শুরু হলো । ব্লগে টুকি টাকি লিখতাম । তারপরে আরো ব্যস্ত হলাম , ব্লগে যাওয়া হয় না । ফেসবুকেই লিখে প্রাইভেসি দিয়ে রাখতাম । আর এখন অনেক কিছু লিখবো বলেও বসা হয় না , কিংবা বসলেও ২/৩ লাইন লিখে আবার ব্যাকস্পেস দিয়ে কেটে দিই । বার বার মনে হয় পারফেক্ট হচ্ছে না । পারফেকশন এর পিছনে ঘুরতে ঘুরতে অনেক কথা হারিয়ে যায় , হারিয়ে গেছে , হারিয়ে যাবে । জীবনের শেষ দিকে যদি অবসর পাওয়া যায় তখন হারিয়ে যাওয়া কথা গুলো কে খুঁজবো । কল্পনার রাজ্যের কোনো এক ফাক ফোকড় দিয়েও যদি তারা ধরা দেয় আমি তাদের নিয়ে উপন্যাস লিখতে বসবো । এখন হারিয়ে যাওয়ার পথে আছে যে দশক তাকে নিয়ে কিছু লিখি ।। - জীবনে কিছু লক্ষনীয় পরিবর্তন এসেছে এই দশকে.. বলা যেতে পারে প্রকৃতি আমার ভার্সন আপডেট করার চেষ্টা করেছে এবং সফল ও হয়েছে অনেকাংশে... সেই সাথে নতুন কিছু ফিচার ও এসেছে এই আপডেটে। যেমন কিছু জিনিস পয়েন্ট আউট করা যায় - - # কোনো...

বন্দি আমি আর কিছু শব্দ । অতঃপর ...

কেটে গেছে বহু যুগ কিংবা শতাব্দী , মনে হয়েছে কিছু লিখি না আমি , লিখা আর হয়ে উঠে না । লিখি লিখি করেও আর লিখতে বসা হয় না । খাতা কলমের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে বহু আগেই । এই ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের ভিড়ে কেনো যেন ঠিক ভাবে আবেগ গুলো প্রকাশ করা হয়ে উঠে না যদিও এখন কিছু লিখা টা হয়ে গেছে সহজ থেকে সহজতর । এখন খাতা কলম নিয়ে বসা লাগে না । হুটহাট ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে দেয়া যায় , আদুরে টাচ স্ক্রিনের কল্যাণে আঙ্গুলের কষ্ট কমেছে বহুগুনে । এতো কিছুর পরেও তবুও কীসের যেন একটা অভাব আমাকে তাড়া করে ফিরে । আমাকে স্থির হতে দেয় না । কিছু একটা লিখার জন্য যতটা স্থিরতার প্রয়োজন ততটা স্থিরতা এই সত্ত্বা প্রায় ই হাতরে ফিরে । পায় না । । তবে, স্থিরতা ছিল একসময় । অনেক স্থির ছিলাম আমি । এই আমি । যা এখন বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয় ! রাতের পর রাত কাটিয়েছি কবিতার পরের লাইনের ছন্দ মেলানোর জন্য শব্দ খুঁজে ! আজ (২০-০৩-২০২০) যখন পুরো পৃথিবী স্তব্ধ করোনা ভাইরাস এর জন্য তখন এই অবসরে হঠাত ই মনে পড়লো আমার সেই বেলাকার কথা ! ভাবলাম কিছু লিখি । মাঝে মাঝে প্রায় ই এমন হয় , দেখা যায় আয়োজন করে লিখতে বসি কিন্তু ভেতর থে...

খন্ড গল্প - ০১

বিকেল থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি, আকাশ ভাড় হয়ে আছে কালো মেঘে। যেকোনো সময়ে বড় ধরনের ঝড় শুরু হতে পারে। আমি বসে আছি রতনের চা এর দোকানে। সাথে ছাতা নেই। কাজেই বের হওয়ার সাহস পাচ্ছি না। ঢাকা-ময়মনসিংহ হাই ওয়ে এর পাশে ছোট্ট টং দোকান। মুখোমুখি দুটা বেঞ্চ। সাই সাই করে বাস যাচ্ছে, মাল বোঝাই ট্রাক যাচ্ছে।এগুলো বসে বসে দেখা ছাড়া আর কোনো কাজ আপাতত নেই। দোকানদার একটু পরপর বিরষ মুখে আমার দিকে তাকাচ্ছে। খুব সম্ভবতঃ আমার অস্তিত্ব ই তার বিরক্তির কারণ। প্রায় এক ঘন্টা হলো বসে আছি কিন্তু একটা চা ও খেলাম না । শুধুই তার কাস্টমার বসার জায়গা দখল করে আছি। টাকা থাকলে অবশ্য এই বিরক্তি থেকে তাকে মুক্তি দিতাম। প্রতিদিন এর মতোই বিকেলে হাটতে বের হয়েছি হঠাৎই আবহাওয়া ১৮০ ডিগ্রী এংগেল এ ঘুরে গেলো! কে জানতো এমন হবে! নইলে টাকা নিয়েই বের হতাম। জীবনে আসলে কখন কি হয় বলা যায় না কিছুই। রতন চা এর কাপ ধুয়ে আমার পায়ের সামনে পানি ফেললো । সে তার বিরক্তির শেষ সীমানায়... আচ্ছা,এর পর ও আমায় কি করবে..? ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিবে..? মনে হয় না । ঘাড় ধাক্কা দিতে হলে স্ট্যাটাস এর প্রয়ো...