Skip to main content

Posts

আমার খুব ক্লান্ত লাগে

হঠাৎ করেই আমার এমন পরিবর্তন হল নাকি আস্তে আস্তে বুঝি নি । তবে সত্যি বলতে আমার এখন খুব ক্লান্ত লাগে ! নিজের কন্টেক্সট এর বাইরে তো দূরের কথা নিজের কন্টেক্সট এর ভেতরে কিছু থাকলেও তা নিয়ে ভাবতে খুব ক্লান্ত লাগে যদি না সেইটা খুব ই বেশি প্যারা দিয়ে থকে । আমি মাথা ঘামাই না , এক্সট্রা effort দেই না । আমার চারিপাশে এতো ক্রাউড ! এতো নয়েস ! এতো ডেস্ট্রাকশন !! এতো এতো মন খারাপ করার মতো ঘটনা প্রতিদিন ঘটে , কয়টার দিকে তাকাবো আমি ... ফেইসবুকে ঢুকলেই দেখি দেশের নানারকম ইস্যু , রাজনৈতিক সমস্যা । নানান অনিয়ম , কেউ না কেউ খুব করুণ ভাবে মরে গেছে ... কোথাও না কোথাও বিশাল কিছু দুর্নীতি হয়ে গেছে ... এইসব । আগে আমার ভালো থাকতে , একটা ভালো দিন কাটাতে অনেক কিছুর প্রয়োজন পড়তো । এখন আর সেটা পড়ে নাহ , আমি চাহিদা কমিয়ে এনেছি । একটা সময় আমি ভাবতাম , দেশের সব কিছু ঠিক ভাবে চললে ... আমার আসে পাশের প্রতি টা মানুষ আমার এক্সপেকটেশন অনুযায়ী বিহেভ করলে আমার দিন টা ভালো যাবে , আমি সুখী হবো ! অথচ তা আজ অব্দি ঘটে নি । কোন দিন ঘটবেও নাহ । এখন অব্দি পৃথিবীর কোন ম...

Embrace Hardship

I love stress.. I love the workload... I love the things that hit my brain and run through my veins. I love the things that excites me.. Even when I’m sick and lying in bed... I love a life where I have responsibilities .. I have things to do.. both in work and in family where people can rely on me… Trust me blindly. I love that. I love to think that, I matter !! in some way, in some area, in some people’s lives. I love to think… if I take a rest, if I lose focus, if I die… people will remember. They will say, "There was someone… who did this." Of course, nothing stops for anyone. Someone will come to replace me. But I want to make sure… they never get the same person twice. Being a man is not easy. There will always be tasks on your "TODO" list. No matter how many issues you have marked "Done".. That’s the game. That’s life. There’s also “In Progress,” “QA,” and so on… 13-05-2025 🌿

কমিউনিটি

আমি ঢাকা আসলে প্রায় সব সময় ই বাইক দিয়ে চলি । এদিক থেকে আমার প্রায় অদ্ভুত একটা এক্সপেরিয়েন্স হয়েছে । আমি বেশির ভাগ সময় ই দেখেছি এক বাইকার এর সাথে অন্য বাইকার এর কেমন গভীর একটা সম্পর্ক । Feels like they all are connected to each other. কেমন যেন একটা ফ্যামিলি টাইপ ব্যাপার আছে । যখন জ্যাম এ আটকে থাকি তখন এক বাইকার আরেক বাইকার এর সাথে এমন ভাবে কথা বলে যেন বহু কালের বন্ধু ! এমন কি রাস্তায় বিপদে পড়লেও দেখি সবার আগে এক বাইকার অন্য বাইকার কে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে , তেল শেষ হয়ে গেলেও হেল্প করে । বাস ড্রাইভার দের ক্ষেত্রেও বেশির ভাগ তাই ই !! তো আমার কথা আসলে ঐটা নাহ । কথা হল ইউজার কমিউনিটি বন্ডিং । কোন স্পেসিফিক একটা প্রডাক্ট এর ইউজাররা নিজেদের মাঝে একটা আল্টিমেট বন্ডিং ফিল করে । এবং একটা স্পেসিফিক প্রোডাক্ট আপনাকে একটা স্পেসিফিক ইউজার কমিউনিটি তে এক্সেস নেয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয় । সেক্ষেত্রে প্রডাক্ট এর মার্কেট ভ্যালু যত বেশি হয় , তার ইউজার কমিনিটি ততই রিচ হয় । আর যে কমিনিটি যত রিচ তারা সমাজে ততই বেশি রুলিং , ততই বেশি ডমিনেট করে below average দেরকে । একটা আল্টিমেট বৈষম্য তৈরি হয় । এ...

একদিন

একদিন তুমি প্রবীণ হবে.. আকাশ পাতাল ছাড়িয়ে যাবে.. সব ছাপিয়ে তোমার নাম বার বার তার মনে হবে । তোমার জন্য ধূলো কণা আশেপাশের আবর্জনা বলতে গিয়েও থমকে যাবে বলা তাদের আর হবে না । আর হবে না বকুল তলায় শিশির ভেজা ঘাসের ডগায় পা ভিজিয়ে দুল নাচিয়ে অবহেলা কথায় কথায়..! কোন অবেলায় তোমায় নিয়ে গল্প হতো খুব বিনয়ে তখনও কি পড়বে মনে চাইতে ভীষণ এই জীবনে আসা যাওয়ায় হাতের ছোয়ায় ঘুম ভাংঙা ভোর অলস দুপুর যখন তখন এই আঙিনায়....! একদিন তুমি বড় হবে স্মৃতি গুলো ঝিমিয়ে যাবে দুঃখ ভরা ভাবনা গুলো.. অবহেলায় হারিয়ে যাবে.. সুখ সুখ সুখ উষ্ণতা আর মায়াবতীর আলতো পরশ তোমার ছায়ায় রঙ ছড়াবে শেষ বিকেলের আলোর মতোই জোছনা রাতের চাঁদ এর মতোই সকাল সকাল গায়ে পড়া মিষ্টি রোদের তাপের মতোই.. অদ্ভুত এই মোহ মায়ায় ডুবিয়ে দেবে মিশিয়ে দেবে গরম চায়ের চিনির মতোই..!!! - কবি - অবাক প্রহরে ০৩-০১-২০২৩ 🌿

অতীত ভ্রমণ

সময় গুলো কেমন যেন শীতের ভোরের কুয়াশা যেন কখনো কখনো মিলিয়ে যায় খুব দ্রুত আবার কখনো বা হিম শীতলতায় কাপন ধরায়..! অতীত নিয়ে ভাবনা গুলো ফের অতীতেও তোমায় ঘোরায় তোমায় পোড়ায় তোমায় বাচায়..! এই যে তুমি হাত বাড়িয়ে ধরছো আমায় ধরছো সময় ধরছো কি তা পাচ্ছো যা তা..? যেই অতীতে শালিক ঘুমায় চড়ুই ঘুমায় কোকিল ডাকে খুব আবেগে বাধতে মায়ায়.. শব্দের পর শব্দ দিয়ে বাক্য গুলো কেমন যেন হঠাৎ করেই যায় মিলিয়ে যায় হারিয়ে । অতীত যেন জন্ম নিলো শব্দ নিয়ে যেতে পালিয়ে । -কবি -অতঃপর অতীত ভ্রমণ ০৪-০১-২০২৩ 🌿

মুক্তির সাধ

শীতের শুরুতেই আরফান ঠান্ডা বাধিয়ে ফেললো । গায়ে একটা পাতলা চাদর ছাড়া কিছুই নেই । থাকবেই বা কিভাবে গত ৪/৫ দিন হলো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে । বাসা থেকে এক কাপড়ে বের হয়ে গেছে । ধোয়াশা এই নগরী থেকে বহু দূরের পথে হাটা দিয়েছে সে । ক্লান্তি ভর করে নি এখনো অব্দি । কোনো এক বিকেলে অনিমা বলেছিলো মুক্তির সাধ বোঝার বয়স এখনো হয়ে উঠেনি আরফান এর । বিকেল টাও কি মুক্তি পেয়েছিলো তার কথার ঝংকার থেকে..? অনিমার কথা গুলো এখনো কানে বাজে ওর । অদ্ভুত সুন্দর মধুর ঝংকার । কাচের চুড়ি ভাংচুর এর শব্দের মতোই ঝনঝনে । এমন ঝনঝনে গলায় সব কিছুই ভয়ংকর সুন্দর বলে মনে হয় । কোনো এক বাদলার মন খারাপ করা দুপুরে অনিমা তার পাশে ২ টাকা ভাংতি চাইতে এসেছিলো । আরফান দিতে পারি নি,, তবে নিজেকে ওর কাছে ভাংতি পয়সার মতোই মুঠোয় মুঠোয় দিয়েছে । যা অনিমা জমিয়েছে পরম মমতায় । সেখান থেকে ইচ্ছে মতোন নিজেকে নিয়ে একটু একটু করে খরচ করেছে তবে আরফান কিছুই জমাতে পারে নি নিজের মাঝে । ওর শূন্য পৃথিবীতে ধারালো ছোরা ছাড়া আর কিছুই থাকে না কোনো সময় । মানুষ ওকে ভাড়া করে নিয়ে যায় খুন করানোর জন্য । টাকা নিয়ে দেহ থেকে প্রাণ মুক্ত ক...

বিকেল বেলার কৃষ্ণচূড়া

আকাশ জুড়ে মেঘ জমেছে আঁধার আঁধার লাগছে কেমন হুহু করে শূন্যতারা আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়ায় যেমন.. ঝুম ঝুম ঝুম বৃষ্টি হবে এপাশ ওপাশ ভিজিয়ে যাবে ভুল হয়েছে, ভুল করেছি হঠাৎ আবার মনে হবে..! তোমার জন্য কাঠফাটা রোদ বিকেল বেলার কৃষ্ণচূড়া আমার জন্য মেঘলা আকাশ ঘাসফুল আর কল্পনারা..! -কবি ২৯-০৯-২০২২

অবন্তীর জন্মদিন

বেশ কিছু সময় ধরে বসে আছি ছায়া ঢাকা সবুজ মাঠের একপাশে । আজ যেন কি বার.. কত তারিখ..? মনে আসছে নাহ.. আজকাল কেমন এক অভ্যাস হয়েছে তারিখ মনে থাকে নাহ । মাঝে মাঝে অবন্তী বলে তুমি আমায় মনে রাখবে তো..! আমি হাসি.. উত্তর দেই না । উত্তর টা ওর জানা, আমি ওকে কখনোই মনে রাখি না, রাখার প্রয়োজন পড়ে নাহ । এমনি তেই ও রাজ্য দখল করে বসে আছে !! আজ অবন্তীর জন্মদিন । ও ঠিক বিকেল ৫ টায় এই জায়গা টাতে আসবে । আমি অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে আছি । আগ্রহ আর অপেক্ষা এক নয় । অপেক্ষা করলে সময়ের সাথে সাথে বিরক্তি বাড়ে । কিন্তু আগ্রহ তে এক্সসাইটমেন্ট বাড়ে । আমারো এক্সাইটমেন্ট কাজ করতে শুরু করেছে । একটা নেড়ি কুত্তা অবেলায় ঘুমাচ্ছে । জেগে থাকলে একটু কথা বলতাম । ঘুম ভাংগানো টা কি ঠিক হবে? এইটা যখন ভাবছি তখন দেখি ও নিজে থেকেই গা ঝাড়া দিয়ে উঠে বসলো । দুই একবার মোচড় দিলো। আমি বলল্লাম, কিহে মশাই..দিনকাল কেমন যায়? ওর থেকে রিপ্লাই পাওয়া গেল নাহ। ও হয়তো কথা বলতে আগ্রহী নাহ । একটা ব্যাপার খেয়াল করে দেখেছি অবন্তী বাদে কেউ ই আমার সাথে কথা বলতে আগ্রহী নাহ । সবাই কেমন যেন মুখ ঘুরিয়ে অন্যদিকে চলে যেতে পারলেই বাচে । ...

ধূলোর সংসার...

আমার ঘরের কোণে মাকড়সার জালে জড়িয়ে আছে হাওয়ায় ভাসতে থাকা ধূলোর সংসার এর কোনো এক সদস্য কণা.. আস্তে আস্তে তারা পাড়ি জমায় এখানে.. এই তো সেদিন এক ধুলিকনার সাথে কথা হলো.. বলেছিলাম তাকে আমার ঘর ছেড়ে দিতে, আমার জায়গায় এসে বসতি স্থাপন..! সাহস তো কম নয়..! ও বলে, আমি নিজে তো আসি নি..! হাওয়া এনেছে আমায়.. হাওয়া নিয়ে এলো বলেই তোমার আসতে হবে..?? গা এলিয়ে দিতে হবে স্রোতে..? কি করবো বলো..! পারি না তো একা থাকতে.. হাওয়ার সাথে ভাব জমেছে সেই কতকাল ধরে..! আমি বলি,থাকো তবে..! ক্ষতি কি.. মাঝেমধ্যে কথাবার্তা বলো আমার সাথে.. শুধুই ধুলিকনা হয়ে পড়ে থেকো না যেনো..! ঘুমে আমার গা এলিয়ে আসে,, রক্ত পিপাসু মশারা সুযোগ খোজে একটু রক্ত চোষার.. আমি ঘুমাবো আর তারা রক্ত খাবে.. আমি বলি,আজ নাহয় না ই খেলে.. আমি যে আজ ক্লান্ত ভীষণ..! তারা বলে,,তারাও নাকি ক্ষুধার্ত অনেক.. যাচ্ছে মারা ধুকে ধুকে.. আমি বলি,খাও তাহলে রক্ত আমার পরম সুখে.. আমার আবার ঘুম পেয়েছে.. বিষাদ আমার রাজ্য ঘেরা সবাই আমার আপন তবু বাচি না আমি কাউকে ছাড়া.. -কবি রাত ৪টা ৫ ৬-৪-২০২২

রক্ত চোষা প্রিয় মশা..!

তোমার জন্য এই কবিতা লাইন গুলো যার ছন্দ ছাড়া তোমার জন্য মোর লিখা গান সব সময় ই হয় সুর ছাড়া... তোমার জন্য শরবতে মোর মিস্টতা নেই একটা ফোটা..! তোমার জন্য ঘুম ভেঙে রোজ মাঝরাতে মোর জেগে উঠা.. এইযে তুমি চুষে চুষে করছো রক্ত পান.. এতেও তোমার সাধ মেটে না গাইবে আবার গান..! রাগারাগির পরেও আমার তোমার জন্য ভালোবাসা.. সারাজীবন থেকো না পাশে রক্ত চোষা প্রিয় মশা..! - কবি ০৭-০৪-২০২২ রাত ৩টা ৪৭

শেষ রাতের পাখি ।।

শেষ রাতে পাখি ডাকে.. আমি ঘুম ঘুম চোখে একটু তাকাই.. মাঝে মাঝে মনে হয় স্বপ্ন দেখছি । আমার দেখা স্বপ্ন গুলো বরাবরই খুব সুন্দর হয়। সুন্দর স্বপ্ন হলে ঘুম থেকে উঠতে মন চায় নাহ । আমার ঘুম দীর্ঘ ঘেকে দীর্ঘতর হয় । তারপরও পাখির ডাকে ঘুম ভেঙে যায় । শেষ রাতের পাখির ডাক গুলো কেমন যেন খুব করুণ হয় । শুনলে ভেতরে ভেতরে কেমন হাহাকার কাজ করে । আমি তারপরেও শুনি । চারপাশের শুনশান নীরবতা এর মাঝে এতটা স্পষ্ট পাখির ডাক কেমন যেন লাগে , আমি বুঝাতে পারি নাহ । অবন্তী কে একবার বলেছিলাম, শেষ রাতের পাখির ডাক শুনেছো কখনো..? ও উত্তর দেয় নি । এখানে উত্তর দেয়ার মতো কিছু নেই কিনা আমি ভেবে পাই নি, তবে ওকে আরে জিজ্ঞেস করা হয় নি । মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় আমার ঘুম ভেঙে গেলে ওকেও জাগিয়ে দেই,, বলি,চলো পাখির ডাক শুনি..!! এই পাখির নাম কি বলোতো.? তারপর মনে হয় থাক,ওকে জাগিয়ে কাজ নেই,,ঘুমাক । রাজ্যের বিষাদ ভর করেছে আমার উপর, তার উপরে সেটা ছড়িয়ে দেয়া ঠিক হবে কি...! আমি ঘুম ঘুম চোখে ওর দিকে তাকাই.. কি নিশ্চুপ পবিত্রতায় ছেয়ে আছে ওর চারিপাশ । নিজেকে তখন তুচ্ছ মনে হয়। তুচ্ছতার সাগরে ডুবে থাকা একটা ...

যাচ্ছো ভীষণ দূরেই সরে ...

তুমিও কি এমনি করে যাচ্ছো ভীষণ দূরেই সরে কাছে কাছে থাকছি বলে আমার কোলে পড়ছো ঢলে স্মৃতি কুড়াও রোজ বিকেলে গাথতে মালা বকুল তলে যাচ্ছি আমি ছলে বলে তোমার কাছে সুকৌশলে তুমিও কি বুঝতে পারো.. আমার মন টা ধরতে পারো.. তোমায় নিয়ে যেমন করে উড়াই ঘুরি ভর দুপুরে চাদের আলো দিনের সুরুজ করে রাখে আমায় অবুঝ তোমার মায়ায় ধুম্র ছায়ায় মাতাল আমি তোমার নেশায় আমিও আজ এমনি করে যাচ্ছি ভীষণ দূরেই সরে নেশায় মাতাল করছো তুমি ভুলতে পথের দিশা.. তুমি আমার মশারীতে আটকে পড়া মশা..!!! তুমি আমার ডায়েরি তে ভুলের ছড়াছড়ি তুমি আমার লাটাই ছাড়া আকাশে উড়া ঘুরি... তুমি আমার নাকের ডগায় হঠাৎ বসা মাছি দূরে দূরে যেয়েও তবু থাকছো কাছাকাছি.. তোমায় পেয়ে রাজ্য ছাড়াই হয়েছি আমি রাজা.. তোমায় নিয়ে ডানা ছাড়াই আকাশে উড়া সোজা.. তুমিও কি এমনি করে ভাবো আমায় রোজ বিকেলে রোজ সন্ধ্যায় শিউলি তলায় ডাকো আমায় হাত ইশারায়.. একটু যেনো অবসরে তোমার মনের অগোচরে আমি দেই দেখা.. লাগবে না আর যেনো তোমার কখনো একা একা..... - কবি ১৬-০৪-২০২২ রাতঃ ৪ টা ৪

এই কবি এই..

রাত ৩ঃ২৪। রাতের এই সময় টাতে জেগে থাকলে আমার প্রচন্ড রকমের লিখালিখির তৃষ্ণা পায় । লিখতে বসি বসি করেও বসা হয় না। আলসেমি তে ছেয়ে যায় চারিদিক। আমার লেখার অভ্যাস বহু পুরনো । দিন যায়,মানুষ বদলায় । আমার আর সময় করে বদলে যাওয়া হয়ে উঠেনি । অথবা বদল হতে দেয় নি কোনো অজানা সত্তা । ভেতরের দোষ গুণ গুলা লালন করেছে পরম যত্নে । দুধ কলা দিয়ে পেলে পুষে বড় করেছে । আমি তাদের আশ্রয় দিয়েছি । যখন ই বদলে যেতে মন চায় তখন ই তাদের উপর মায়া কাজ করে । একবার বদলে গেলে তাদের কে হারাবো চিরতরে । এই হারানোর অভ্যাসের সাথে আজও খাপ খাইয়ে উঠা হলো না আমার । নইলে কবেই না বদলে যেতাম.. হারিয়ে যেতো কতো কিছুই .. আমার লিখার চেষ্টা করা উচিত বলে অনেক কিছুই লিখা হয়েছে আবার লিখার ইচ্ছে হয়েছেও অনেক তবে একের পর এক দৃশ্য দেখতে দেখতে এখন আমার কাছে একটা জিনিস কে নিয়ে কথা বলতে কিছু অবসর এর দরকার পড়ে। মাঝে মাঝে অবসর পাই,,আবার কখনো পাই না। কথার উপর কথা জমে তীব্র হাহাকার জাগিয়ে রেখে ঘুমিয়ে যাই৷ এক ঘোর কাজ করে৷। মাঝে মাঝে জেগে দেখি অবন্তী কথা বলছে,, আমি তাকে থামিয়ে দিতে যাই,,পরেই মনে হয়..বলুক না যা ইচ্ছে.. এতো মিষ্টি গলা...

খাম খেয়ালি

ক্লান্ত আমি ক্লান্ত ভীষণ তোমায় ভালোবেসে ক্লান্ত হয়েই ডুব দিয়েছি নির্লিপ্ততার দেশে যেথায় তুমি আমায় খোঁজো দিন ফুরোলে রাতের শেষে বাহুডোরে আগলে রাখো কেউ যেনো না আসে পাশে জানো তুমি ? ঠিক এমন ই চাইতাম আমি তখন যখন বুঝেও যেন খুব বোঝো নি তুমি আমার তুলোর মন ! এখন তুমি খুব নীড়বে দাও আমার মন পাহাড়া যখন আমি প্রহরী ছিলাম দাও নি তুমি একটু সাড়া ! কেন এসব খাম খেয়ালি ঘুরছো মনের অলিগলি জানছি যা … ভাবছো কি তা ? তোমায় নিয়ে গল্প কথা যাচ্ছে বহুদূর ! এখন আমি হারিয়ে গেছি আর তোমার গলায় সুর !!! - কবি ২৫-০১-২০২২

Why I'm changed!

I already hid a love for fear of losing it, I already lost a love for hiding it. I've already held someone's hands out of fear, I've been so scared, to the point of not even feeling my hands. I already expelled people I loved from my life, I already regretted it. I've spent nights crying myself to sleep, I've gone to sleep so happy, to the point that I can't even close my eyes. I've already believed in perfect loves, I've discovered that they do not exist. I've loved people who let me down, I've let people down who loved me. I've spent hours in front of the mirror trying to find out who I am, I've been so sure of myself, to the point of wanting to disappear. I already lied and regretted it later, I already spoke the truth and I also regretted it. I already pretended not to give importance ...

স্মৃতি চারণ

হারিয়ে যাওয়া শব্দ কিছু হারিয়ে যাওয়া ফুল হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষ হারানো কানের দুল হারিয়ে যাওয়া ছন্দ আমার হারিয়ে যাওয়া ছবি হারিয়ে গেছে আমার মাঝেও সেই পুরনো কবি ! হারিয়ে যাওয়া ভাবনা আমার হারিয়ে যাওয়া সুখ হারিয়ে যাওয়া কল্পনা মোর হারিয়ে যাওয়া দুখ হারিয়ে যাওয়া চারপাশে মোর রঙ্গিন কতো মুখ যাদের কাছে খুজেছিলাম সেই অবেলায় সুখ হারিয়ে যাওয়া নোট খাতা মোর হারিয়ে যাওয়া বই হারিয়ে যাওয়া ভাঙ্গা পেন্সিল রাবার আমার কই ? হারিয়ে যাওয়া মনোযোগ মোর হারিয়ে যাওয়া পড়া হারিয়ে যাওয়া সিজিপিএ মোর তিল তিল করে গড়া ! - কবি ২১-১১-২০২১

Point of View

“I am at the point of my life that I do not expect too much from people anymore. If you want to get out of my life, I will not stop you. If unfriending me makes you happy, go ahead. If the efforts I make do not get reciprocated, that’s fine. If you can’t equate my love for you, I will respect that. If you do not like me, I can accept that. It takes maturity to reach this point. It takes self-love to be on this level. It is just that it is too tiring to please people. It is so f*cked up to beg for people to be a part of your life. It is pointless to force someone to be on the same page with you. I am at the point of my life that if you stay, you’re mine, and if you are not, then I let go. It is too tiring to keep on forcing things to happen. It is too painful to see your efforts getting unnoticed. It is not worth it to beg for someone just to let them see how much you love them. It is not worth chasing people because you deserve better. It is too unnecessary to f...

বিড়াল সমাচার

আজকে ০৬-০৫-২০২১ বহুদিন পর লিখতে বসলাম । লিখতে বসি বসি করে বসাও হয় না । সময় পাওয়া যায় না । আবার লিখতে বসে কি নিয়ে লিখবো সেটাও খুঁজে পাই না । দিন দিন এতো ব্যস্ততা বেড়েছে ! অদ্ভুত এক মায়াময় ঘোরে যাচ্ছে জীবন । পার হচ্ছে সময় । আমি দিন দিন বুড়ো হচ্ছি ! আচ্ছা যাইহোক , এখন রাত ৯টা ৩৯ বাজে । লিখতে বসলাম চারকোণা স্ক্রিনে । এখন আপাতত এটাই আমার আবেগের ঘনবসতি । আজকে অদ্ভুত এক ভালবাসায় সিক্ত হয়েছি এবং সেই সাথে হয়েছি অভিভূত ও ! মূল কাহিনী তে যাওয়ার আগে কিছু কথা বলে নেয়া যাক । প্রায় এক বছর আগে বিড়াল পালার প্রবল ইচ্ছে জন্ম নিয়েছিলো মনে সিড়িঘরের পরে থাকা এক ছোট্ট বিড়াল ছানার মিউ মিউ শব্দ শুনে ! তখন তাকে ঘরেও নিয়ে এসেছিলাম । তবে তা পালার মত সাহস আর করতে পারি নি , যেখানে নিজেই থাকি পরের বাসায় ! বাপ মায়ের হোটেল এ খাই ,নিজের কিছু নাই । সেখানে বিড়ালের প্রতি ভালোবাসার স্থান নেই । পরে আর তা ঘরে রাখতে পারি নি । ছেড়ে দিয়ে এসেছি । আর সে কথা ভুলেই গিয়েছি । আজকে হঠাত ই আমার নতুন একটা বিড়ালের সাথে পরিচয় হয় সিড়িতে উঠার সময় । আমার হাতে ছিলো বাজারের ব্যাগ । আমি যখন উপরে উঠছি তখন তাকে দেখি কেমন আমার ...

জড়তায় ছেয়ে গেছে চেতনার চারিপাশ

গত রাতে ভালো ঘুম হয় নি । দিনেও হলো না , ঘুম কি বিদায় নিচ্ছে নাকি ? বুঝতে পারছি না । তবে এই টুকু বুঝতে পারছি কিছু একটার ট্রান্সফরমেশন হচ্ছে । তা , সময় কত টুকু লাগবে বলা যাচ্ছে না । আস্তে আস্তে সময় গড়ায় আজকাল বেচে থাকা টাই বড় প্রাপ্তি বলে মনে হয় , আবার মাঝে মাঝে এও ভাবি শুধু বেচে থেকেই যদি মরবো , তবে আর বেচে থাকার দরকার টাই বা কি ছিলো ! সময় গুলো কে হেলায় ফেলায় নষ্ট করা উচিত না । অবেলায় অবহেলায় সময় যায় , আমার বেচে থাকায় , ঘুমে আর জাগরণে কারণে অকারণে সময় যায় ।। সাথে আমাকেও নিয়ে যায় একটু একটু করে মৃত্যুর কাছে ! কি আজব, তাই না ! তবে এই বেলায় মনে হচ্ছে ভালো করেই বাঁচা উচিত বেচে থাকার মতো করেই ! নিজের পদ চিহ্ন পৃথিবীর বুকে একে দেয়াই যে তোমার অস্তিত্ব এর কথা জানান দেয় ! আমার মাথায় এলো মেলো শব্দের ঘুরাঘুরি , গুছিয়ে নিয়ে আসতে পারছি না বাক্য গঠন ঠিক ভাবে হচ্ছে না গ্রামার মেনে ! সব কিছুই সব সময় কেনই বা মানতে হবে শুনি ? আমার কথা ই বা মেনেছিলো কে কবে ! অস্থিরতার বহিঃপ্রকাশ দু এক শব্দে হয় না গো , শব্দ দিয়ে অস্থিরতা মাপা যায় না অনুভব লাগে । বুঝলে ? কখনো ধুপধাপ ধুলি...

অবন্তীর আজ মন ভালো নেই !

অবন্তীর আজ মন ভালো নেই ! কোথায় যেনো কি হয়েছে কিচ্ছু জানার আগ্রহ নেই ! অবন্তীর আজ মন ভালো নেই ! মনের কোণে কোন গোপনে কি যেন আজ উঠছে ভেসে কারণ টা ঠিক তার জানা নেই ! কাকে ভেবে একলা একা কোন সে কবে হয়েছে দেখা হিসেব টা ঠিক তার জানা নেই ! অবন্তীর আজ মন ভালো নেই ! মন ভালো নেই মন ভালো নেই , আকাশ পাতাল উজাড় করা আবেগ দিয়ে শহর ঘেরা তার মাঝে তার কি যেন নেই ! অবন্তীর আজ মন ভালো নেই ! কি যেনো কি খুজতে গিয়ে কোন সে নেশায় ডুবতে গিয়ে , কে যেন আজ হারিয়ে গেছে জীবন থেকে খুব সহজেই !!! অবন্তীর আজ মন ভালো নেই ! -কবি ২১-০২-২০২১

কেউ একজন আমায় খুজুক

রাত ৩ টা ২৫ শহর জুরে বিদ্যুৎ নেই.. নাহ,,ভুল বললাম, বিদ্যুৎ নেই শুধু আমার পাড়ায়.. আমি গভীর অন্ধকার এ তলিয়ে গেছি । আচ্ছা,এই যে হারিয়ে যাওয়ার বিষয় টা এটা কেমন..? আমি এখন ডুবে আছি গাঢ় অন্ধকারে... এখন কেউ কি আমায় খুজবে..? কারো কি কোন প্রয়োজন পড়তে পারে..? মাঝে মাঝে অদ্ভুত সব ইচ্ছা হয়... ছোটো বেলায় যেমন লুকোচুরি খেলতাম, লুকালে কেউ একজন খুজে বের করতো। আজকাল এই ইচ্ছে টা খুব হয়,আমি লুকাই কেউ একজন আমায় খুজুক, পাগলের মতো খুজুক খুজে বের করুক.... তবে কথার মাঝে কথা হলো আমাকে খোজে বের করার মাঝে ফায়দা টা কি..? আমার কাছে তো হীরা মানিক্য তেমন কিছু নেই... মানুষ আমায় খুজবে কেন..? ছোটো বেলায় লুকোচুরি খেলতাম, তখন খুজে বের করতো তখন ছিলো অবুঝ কাল তখন উদ্দেশ্য বিহীন কাজেই মজা পেতাম আমরা.. এখন বুঝকাল... এখন অনেক কিছু লাগে ছোট্ট একটা মজার জন্য.. পৃথিবীর বয়স বাড়ছে,আমাদের চাহিদা বাড়ছে আর তার সাথে পাল্লা দিয়ে কমছে আমাদের পৃথিবীতে থাকার সময়.! এখান থেকে হারিয়ে যেতে হবে. .. তখন কে খুজবে..? #কবি ২৩-০১-২০২১

ICU

একটা মানুষ এতটা নিষ্পাপ আর মায়াবী হতে পারে সেটা আমি চোখের দেখায় শুধুমাত্র অবন্তী কেই দেখেছিলাম । ওর মাঝে যে পবিত্রতা তা আর কোথাও খুজে পাই নি। সত্যি বলতে খুজতে যাই নি । অবন্তী কেও আমি খুজে বের করি নি। ও নিজেই আমায় খুজে নিয়েছিলো আর জড়িয়েছিল তার অদ্ভুত মায়াজাল এ... জড়িয়ে ছিল বললাম, কারণ ওকে আর খুব বেশি সময় এর জন্য হয়তো পাবো না। ওর খুব বাজে রকমের একটা অসুখ হয়েছে, ডাক্তার বলেছে অলৌকিক কিছু না হলে হাতে আর খুব বেশি সময় নেই । ও এখন ICU তে ভর্তি । যেখানে সাধারণ মানুষ এর প্রবেশ নিষেধ, আর সেখানে আমি তো সাধারণ এর নিচে অতি অতি অতি সাধারণ মানুষ । আমি পরিবারের কেউ না নিতান্তই অপরিচিত একজন মানুষ । আমাকে ঢুকতে দেয়ার প্রশ্ন ই আসে না । আমি ফুটপাত ধরে পায়াচারি করছি আর একটু পরপর ডাবওয়ালা দের কাছ থেকে ডাব কেনার অফার পাচ্ছি। তারা পারলে ২টার সাথে একটা ফ্রি দিয়ে হলেও আমাকে ডাব কেনাবে । আমি বিরক্ত হয়ে যখনই ভাবলাম রাস্তার ওপাশ টায় চলে যাবো, তখন ই পেছন থেকে কেউ একজন আমাকে ডাক দিলো, কবি.? ফিরে দেখি অবন্তীর মামা। মামা কিনা চাচা তাও এখনো বলতে পারছি না। ওদের পরিবারের প্রায় অনেকের সাথেই ...

সন্ধ্যা নামে

সন্ধ্যা নামে দালান কোঠায় সন্ধ্যা নামে ঘরে সন্ধ্যা নামে তোমার আমার ব্যস্ত শহরে ... অন্ধকারের বন্ধ ঘরে হাতরে ফিরি সুখ , আবার যদি ফিরে পাই হারানো সেই মুখ !! হঠাত যদি দেখা হয় সিটিং বাসের কোণে , বলবো হেসে এখনো তোমায় পড়ে ভীষণ মনে । সেই যে কবে হারিয়ে গেলে ফিরলে না তো আর , তুমিও কি এই সিটিং বাস করো যাত্রী পারাপার ? -কবি ০৪-০১-২০২১

আমি বহুদুর

এখন আমি ভবঘুরে তোমার গলায় সুর.. যখন ছিলাম খুব নিকটে তুমি বহুদুর.. আকাশ পাতাল ভাবনা আমার ঘুমের ঘোরে রাজ্য তোমার.. তোমায় নিয়ে আর হলো না আমার তোলা সুর.. তুমি এখন খুব নিকটে আমি বহুদুর.. -কবি ৪-০১-২০২১

শূন্য আমি

রোদের দিনের স্বপ্ন গুলো হঠাত করেই মেঘ হয়ে যায় ঝড় বয়ে যায় , বৃষ্টি নামে পাতায় পাতায় ! হাটে ঘাটে মানুষ চেনায় , চারপাশ টা ভরে দিয়ে শূন্যতায় আর শূন্যতায় !!! চারপাশে মোর শীতের কাপন হু হু করে কাপছি ভীষণ ! আমায় ফেলে একলা একা কোথায় আছো এই অবেলায় ? কবে আবার ফিরে পাবো আমায় তোমার উষ্ণতায় ??? -কবি

অন্ধ আবেগ

শীতের সন্ধ্যার যে অব্যাক্ত রিক্ততা, যে তীব্র আকুলতা... চারপাশটা নির্লিপ্ততায় ঢেকে দিয়ে বুকের মাঝে অচেনা এক হাহাকার জাগিয়ে তোলার যে তীব্র প্রচেষ্টা.. তার উৎস কোথায় আজো জানা হলো না.. আমি ধুকে ধুকে মরছি যাহার পথের বালুকণায় শিশির বিন্দু জমতে দেখে দেখে তাহার এপথে আসা আর হলো না..! যাকে নিয়ে দিগন্ত পারাবার শপথ নিয়েছি কুয়াশা ঢাকা এই নির্ঘুম রাত্তিরে, তাহার অন্ধ আবেগ এখন শুধুই নিজেকে ঢাকিয়াছে কম্বলের আড়মোড়ায়..! আমি আর আমি নেই..! হয়ে গেছি শেষ রাতের গড়িয়ে পড়া শিশির বিন্দু যে অপেক্ষায় আছে সূর্যের আলো ফুটিবার শূন্যে ডানা মেলিবার.. -কবি ১৬-১২-২০২০

কেন আমায় ভালোবাসলে না ..

কেন রোদের মতো হাসলে না আমায় ভালোবাসলে না, আমার কাছে দিন ফুরালেও আসলে না । এই মন কেমনের জন্মদিন চুপ করে থাকা কঠিন, তোমার কাছে খরস্রোতাও গতিহীন। নতুন সকাল গুলো কপাল ছুঁলো তোমারই দূরে গেলেও এটাই সত্যি তুমি আমারই, শুধু আমারই .. রোদের মতো হাসলে না আমায় ভালোবাসলে না, আমার কাছে দিন ফুরালেও আসলে না। জলে ভেজা, চোখবোজা ঘুম খোঁজা ভোর, নিশানা তীর, স্মৃতির ভীড় এলোমেলো ঘর'দোর। মেঘ আসে এলো কিসে ছুঁয়ে দিলেই সব চুপ, সেই মেঘবালিকার গল্প হোক, শহরজুড়ে বৃষ্টি হোক, রোদ্দুর হোক আজ শুধুই তাহার ডাকনাম। পাতাভরা সব দু-টুকরোরা কাল বৈশাখীর মতো মুখচোরা, সব ভিজে যাক শুধু বেঁচে থাক অভিমান নতুন সকালগুলো কপাল ছুঁলো তোমারই বেঁধে রাখতে পারলে তুমিও হতে আমারই শুধু আমারই ...

আমি আমার আমি কে ছুইতে পারি নাই !

কেন যেনো মনে হয় আমি আমার আমি কে ছুইতে পারি নাই, একটু ধরিয়া দেখিতে যাই নাই, জানার কিছু চেষ্টাও করিয়া দেখি নাই 😴 আমার সকল আগ্রহ আর ইচ্ছা থেকে গেছে গণ্ডীর বাইরে সবসময়ই অন্য কারো সীমানায় আবদ্ধ। কি আশ্চর্য কথা..! - মাঝে মাঝে এ ও ভাবি নিজেকে নিজের সম্বল করিয়া , হামাগুড়ি থেকে হাটি হাটি পা পা করা না হলেও অন্যের সম্বল বস্তাবন্দি করিয়া অনায়াসেই পেরুনো হয়েছে বহু পথ । আমি রয়ে গেছি চুপচাপ , - যেনো ঘাসের ডগায় নুইয়ে পড়া শিশির , যেনো নরম রোদে সদ্য মুখ তোলা অঙ্কুর , যেনো শত সহস্র জাহাজের ভিড়ে বেমানান অনুগত ডিঙি নৌকো ... - কি এক অদ্ভুত ব্যাকরণে কারণে অকারণে আমার আষ্ঠে পৃষ্ঠে জড়িয়ে যায় সব । সব জড়িয়ে যায় । কেউ একজন আমার আমি কে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় আমার থেকে দূরে বহু দূরে ।। -১৩/০৮/২০১৯ -কবি

ইচ্ছে

পৃথিবী তে সুন্দর জিনিস গুলো কখনো কেনা যায় না...! যখন তখন পাওয়া যায় না, পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়.... এটাই প্রব্লেম..! নইলে কবেই একটুকরো জোছনা কিনে ফেলতাম..! আকাশ কালো করে আসা ঝুম বৃষ্টি টুকু কিনে ফেলতাম...

মানুষ যুক্তির সিড়ি থেকে সরে আসে...

  রুপা বললো, ওর হৃদয়ে হিমু ছাড়া ২য় কেউ নেই... মিসির আলি ওকে বুঝাবে কি করে.. হার্টে থাকে রক্ত,  আবেগ অনুভুতির স্থান ব্রেইন এ..!!! মিসির আলি চুপ করে গেলেন,  মনে মনে ভাবলেন.. তাই তো..! সবাই তো সব বুঝবে না..! সবার সবকিছু বোঝার প্রয়োজন ও নেই.  কেউ কেউ গবেষণা করে রকেট বানিয়ে চাঁদে যাবে ।  আর কেউ কেউ তার পাশের  কোনো প্রিয় মুখ কেই চাঁদ হিসেবে আবিষ্কার করবে ।  মানুষ যুক্তির সিড়ি থেকে সরে আসে,  থিসিস,হাইপোথিসিস এর ধারে কাছে ঘেষে না..  অচেনা মানুষ এর সাথে অজানা ভুবনে  ভুল পথে হাটতে পারাটাই বোধহয় মজার..  মিসির আলি সিগারেট ধরালেন..  রুপা চলে যাচ্ছে, তিনি পেছন থেকে দেখছেন ।  জলন্ত সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে উড়ে যাচ্ছে এই অসম্ভব মায়াবতীর মোহ..  'মায়া' খুব খারাপ জিনিস  মানুষকে যুক্তির সিড়ি থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে  ঠেলে দেয় অনিশ্চয়তার কুয়াশায়... - কবি

থমকে গিয়েছে সময় ...

  মনে হয় কখনো থমকে গিয়েছে সময়,  কিংবা সময় থমকে দিয়েছে  আমার চঞ্চলতা  কে সযত্নে...  আমি আমার নিরবতা কে পূজি করে  অপেক্ষায় থাকি আলোর..  যে আলোয় আলোকিত হয়েছে হাজার বছরের  কীর্তিমান দের পথ..

আঁধারের আলোয় ...

তীব্র চোখ ধাধানো আলোয় অজস্র পোকামাকড় ভীড় করলেও নিজের আলোয় উজ্জ্বল জোনাকিরা আসে না.. এদেরকে খুজে নিতে হয় অন্ধকারে এসে । আর একবার খুজে পেলে যত্ন করে রাখতে হয় যেনো কোথাও পালাতে না পারে...

বিদায় ২০১৯

একটু পরেই নতুন দশকের শুরু । হঠাত খেয়াল হলো চলে যাওয়া দশক নিয়ে কিছু লিখি । লেখালেখির অভ্যাস বহু পুরনো । আগে ডায়েরী লিখতাম , তারপরে সময়ের প্রয়োজনে চারকোণা স্ক্রিনে লেখালেখি শুরু হলো । ব্লগে টুকি টাকি লিখতাম । তারপরে আরো ব্যস্ত হলাম , ব্লগে যাওয়া হয় না । ফেসবুকেই লিখে প্রাইভেসি দিয়ে রাখতাম । আর এখন অনেক কিছু লিখবো বলেও বসা হয় না , কিংবা বসলেও ২/৩ লাইন লিখে আবার ব্যাকস্পেস দিয়ে কেটে দিই । বার বার মনে হয় পারফেক্ট হচ্ছে না । পারফেকশন এর পিছনে ঘুরতে ঘুরতে অনেক কথা হারিয়ে যায় , হারিয়ে গেছে , হারিয়ে যাবে । জীবনের শেষ দিকে যদি অবসর পাওয়া যায় তখন হারিয়ে যাওয়া কথা গুলো কে খুঁজবো । কল্পনার রাজ্যের কোনো এক ফাক ফোকড় দিয়েও যদি তারা ধরা দেয় আমি তাদের নিয়ে উপন্যাস লিখতে বসবো । এখন হারিয়ে যাওয়ার পথে আছে যে দশক তাকে নিয়ে কিছু লিখি ।। - জীবনে কিছু লক্ষনীয় পরিবর্তন এসেছে এই দশকে.. বলা যেতে পারে প্রকৃতি আমার ভার্সন আপডেট করার চেষ্টা করেছে এবং সফল ও হয়েছে অনেকাংশে... সেই সাথে নতুন কিছু ফিচার ও এসেছে এই আপডেটে। যেমন কিছু জিনিস পয়েন্ট আউট করা যায় - - # কোনো...

বন্দি আমি আর কিছু শব্দ । অতঃপর ...

কেটে গেছে বহু যুগ কিংবা শতাব্দী , মনে হয়েছে কিছু লিখি না আমি , লিখা আর হয়ে উঠে না । লিখি লিখি করেও আর লিখতে বসা হয় না । খাতা কলমের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে বহু আগেই । এই ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের ভিড়ে কেনো যেন ঠিক ভাবে আবেগ গুলো প্রকাশ করা হয়ে উঠে না যদিও এখন কিছু লিখা টা হয়ে গেছে সহজ থেকে সহজতর । এখন খাতা কলম নিয়ে বসা লাগে না । হুটহাট ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে দেয়া যায় , আদুরে টাচ স্ক্রিনের কল্যাণে আঙ্গুলের কষ্ট কমেছে বহুগুনে । এতো কিছুর পরেও তবুও কীসের যেন একটা অভাব আমাকে তাড়া করে ফিরে । আমাকে স্থির হতে দেয় না । কিছু একটা লিখার জন্য যতটা স্থিরতার প্রয়োজন ততটা স্থিরতা এই সত্ত্বা প্রায় ই হাতরে ফিরে । পায় না । । তবে, স্থিরতা ছিল একসময় । অনেক স্থির ছিলাম আমি । এই আমি । যা এখন বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয় ! রাতের পর রাত কাটিয়েছি কবিতার পরের লাইনের ছন্দ মেলানোর জন্য শব্দ খুঁজে ! আজ (২০-০৩-২০২০) যখন পুরো পৃথিবী স্তব্ধ করোনা ভাইরাস এর জন্য তখন এই অবসরে হঠাত ই মনে পড়লো আমার সেই বেলাকার কথা ! ভাবলাম কিছু লিখি । মাঝে মাঝে প্রায় ই এমন হয় , দেখা যায় আয়োজন করে লিখতে বসি কিন্তু ভেতর থে...

খন্ড গল্প - ০১

বিকেল থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি, আকাশ ভাড় হয়ে আছে কালো মেঘে। যেকোনো সময়ে বড় ধরনের ঝড় শুরু হতে পারে। আমি বসে আছি রতনের চা এর দোকানে। সাথে ছাতা নেই। কাজেই বের হওয়ার সাহস পাচ্ছি না। ঢাকা-ময়মনসিংহ হাই ওয়ে এর পাশে ছোট্ট টং দোকান। মুখোমুখি দুটা বেঞ্চ। সাই সাই করে বাস যাচ্ছে, মাল বোঝাই ট্রাক যাচ্ছে।এগুলো বসে বসে দেখা ছাড়া আর কোনো কাজ আপাতত নেই। দোকানদার একটু পরপর বিরষ মুখে আমার দিকে তাকাচ্ছে। খুব সম্ভবতঃ আমার অস্তিত্ব ই তার বিরক্তির কারণ। প্রায় এক ঘন্টা হলো বসে আছি কিন্তু একটা চা ও খেলাম না । শুধুই তার কাস্টমার বসার জায়গা দখল করে আছি। টাকা থাকলে অবশ্য এই বিরক্তি থেকে তাকে মুক্তি দিতাম। প্রতিদিন এর মতোই বিকেলে হাটতে বের হয়েছি হঠাৎই আবহাওয়া ১৮০ ডিগ্রী এংগেল এ ঘুরে গেলো! কে জানতো এমন হবে! নইলে টাকা নিয়েই বের হতাম। জীবনে আসলে কখন কি হয় বলা যায় না কিছুই। রতন চা এর কাপ ধুয়ে আমার পায়ের সামনে পানি ফেললো । সে তার বিরক্তির শেষ সীমানায়... আচ্ছা,এর পর ও আমায় কি করবে..? ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিবে..? মনে হয় না । ঘাড় ধাক্কা দিতে হলে স্ট্যাটাস এর প্রয়ো...

বিষ্টি হবে বলে...

আকাশ জুড়ে মেঘ করেছে বিষ্টি হবে বলে... হাওয়ায় হাওয়ায় আসছে তারা তাই তো দলে দলে...!!! নুপুর পায়ে নাচছে কেউ গাইছি আমি গান.... বিষ্টি যেনো হবেই হবে সেই সুরের ই টান... বিষ্টি হবে...!!! বিষ্টি হবে...!!! ভিজবে আমার গা.. বিষ্টি হবে, ভিজবে তার ও নুপুর পড়া পা...!! বিষ্টি হবে ভিজবে পাখি দুলবে পাতা কাপবে আঁখি.. বিষ্টি হবে সারা বেলায় বন্দী হবো ঘরের কোণায়... কাটবে আমার অলস দুপুর.. শুনে তার পায়ের নুপুর... আধো আলো আধো ছায়ায় থাকবে পাশে এমন মায়ায়... হাত বাড়ালেই যেন পাবো... যখন তখন ধরা ছোয়ায়...! -কবি ০৪-০৮-২০২০

সাধারণ থাকতে পারাটাই অসাধারণ লাগে বেশ ...!

সাধারণ থাকতে পারাটাই অসাধারণ লাগে বেশ ...! আজকাল কই আছি সবই যেনো কানামাছি মনে হয় ভীন দেশ..!!! পাশাপাশি থেকেও যে নেই কভু পাশে আর জটিল হয়েছে সব কিম্ভুত কিমাকার..!! রঙিন আস্তরে আবেগের মলাটে সম্পর্ক গুলো সব হয়ে গেছে ধোয়াটে... পোড়া পোড়া গন্ধে যাওয়া যায় না পাশে আর.. পুড়েছে, হয়েছে ছাই সবকিছু ছাড়খার..! আমার আমি কে খুজি দিবা রাত্রি সব কিছুর পরেও এক হার না মানা যাত্রী..

নিয়ম করে কখনো নিজেকে পালটে ফেলা যায় না..

নিয়ম করে কখনো নিজেকে পালটে ফেলা যায় না.. রুলস মেইনটেইন করেও  হাজার বছর ধরে বদলে দেয়া যায় না নিজেকে। বলে কয়ে পরিবর্তন হয় না । বদলে যেতে হয় হঠাৎ করে, কাউকে না জানিয়ে, কোনোরকম পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে নিজেকে পালটে নিতে হয়। পালটে ফেলতে হয়...!! তুমি বদলে যাচ্ছো সে কথা মানুষ কে বুঝতে দিলে, প্রকৃতি কে জানতে দিলে তারা কখনোই সেটা হতে দেবে না। প্রকৃতি খুব কঠিন জিনিস, সবাই কেই নিজের অধীনে রাখতে চায়  । দাসত্ব এর শৃংখল  পড়িয়ে রাখতে সদা প্রস্তুত, তৎপর..!      জীবনের সার্থকতা কোথায়..???? নিজের স্বাধীনতা উপলব্ধি করা আর তা প্রয়োগ করার মাঝেই। নিজের ইচ্ছা মতো কাজ করা     ।

যেনো কার মায়া তে বাঁধা পড়েছে জীবন যে !!!

আমি কার আশাতে ছুটে চলি পথে পথে যেনো কার মায়া তে বাঁধা পড়েছে জীবন যে !!! কতো সুর কল্পনা কতো মিথ্যে প্রলোভন কষ্টের প্রতিটি ক্ষণ শোনায় তার আহবান !!!! হুম, মাঝে মাঝে তাই ই মনে হয় যেনো কার মায়া তে জীবন বাঁধা পড়ে আছে ! বাঁধা পড়ে গেছে ! কই পাই না তো ! দেখি না তো বিন্দু মাত্র তার চিহ্ন !!! বাধার ছাপ , জলছায়া । হঠাত ই যখন কল্পনায় ডুব দেই তখন ই এমন মনে হয় ! আসলে বাস্তবের চাইতে কল্পনার জগত টা আরো বড় ,বিশাল ! তাই তো বাস্তবতায় তোমার ঠাই না হলেও ,হয়েছে কল্পনায় ।। আমার ভাবনায় । চিন্তায় আর চেতনায় !

আমার আমি কে ছুইতে পারি নাই..!

কেন যেনো মনে হয় আমি আমার আমি কে ছুইতে পারি নাই, একটু ধরিয়া দেখিতে যাই নাই, জানার কিছু চেষ্টাও করিয়া দেখি নাই 😴 আমার সকল আগ্রহ আর ইচ্ছা থেকে গেছে গণ্ডীর বাইরে সবসময়ই অন্য কারো সীমানায় আবদ্ধ। কি আশ্চর্য কথা..!       

নিশ্চুপ

দিন দিন সব কিছু জটিলতায় ছেয়ে যাচ্ছে | কিছুই ভালো লাগে না আমা।।  মনুষ্য সমাজে বসবাস প্রায় অসহ্য হয়ে গিয়েছে। কাউকেই সহ্য করতে পারছি না   

গল্পঃ অদ্বিতীয়া

সন্ধ্যায় মেয়েটির সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। মায়ের ভাষ্যমতে মেয়ে সুন্দরী, পরিপাটি লক্ষীও বটে। আমি দেখছিলাম রেস্টুরেন্টে আমার মুখোমুখি চেয়ারে একটা পুতুল বসে আছে। ছোট্ট করে কফিতে চুমুক দিচ্ছে, কায়দা করে টিস্যুতে ঠোঁট ছোঁয়াচ্ছে। সবকিছুই কেমন সাজানো। প্রশ্ন করলাম, -প্রেম করেছেন কখনও? মেয়েটা হাসল। -আসলে সেভাবে সময় ও সুযোগ হয়ে উঠি নি। পড়াশোনা নিয়ে এত বিজি ছিলাম। ২৪ বছর বয়সী প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে এমবিএ পড়ুয়া মেয়ে কোনদিন প্রেমই করে নি! ওর বায়োডাটা পড়েছি এমন কোনো হাতি-ঘোড়া রেজাল্ট নয়। অথচ পড়াশোনা নিয়ে তিনি ভীষণ ব্যস্ত ছিলেন। ভালো একটা বর ধরতে হলে মেয়েদের কত অভিনয়ই না করতে হয়। চিকেন ফ্রাইয়ের দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছে।আমি পাশে না থাকলে হয়ত কপাকপ গিলে নিত। ঠোঁটে আলতো গরম স্যুপ ছুঁইয়ে ন্যাকা স্বরে বলতে হত না -আসলে আমি খুব কম খাই। বিল মিটিয়ে উঠে পড়লাম। মা বলেছিলেন অন্তত একঘণ্টা সময় কাটাতে। আমার ৪০ মিনিটের বেশি ধৈর্য্যে কুলাল না। ওকে সিএনজি ভাড়া করে দিয়ে সিগারেট ধরালাম। আশ্চর্য! আমিও ভান করেছিলাম নয়ত এতক্ষণ সিগারেটের তৃষ্ণা পাওয়ার পরও মেয়েটার সামনে সিগারেট ধরালাম না কেন! নবনী হলে ঠিক বুঝে...

আমি আজ কোথাও যাবো না ...

গতকাল রাতে তেমন ঘুম হয় নি আমার । সারাদিন ই ঘুমু ঘুমু ভাব । ঘুমু ঘুমু ভাব নিয়ে ক্লাস করে আসলাম । দিনের অবস্থাও ঘুমু ঘুমু । মেঘলাআকাশ । একটু পর পর থেকে থেকে বৃষ্টি হচ্ছে । কখনো ঝুম বৃষ্টি । আবার কখনো হালকা । যে বৃষ্টি তে আবেগ গুলো হঠাত ই বলা নেই কোয়া নেই কেমন গাঢ় হয়ে যায় ! অহ, আজ কত তারিখ ! বলাই তো হলো না ! অনেক দিন পর আজকে লিখতে বসলাম । বসি বসি করেও বসা হয় না । সময় চলে যায় ,দিন গড়ায় । রাত আসে । আমার কথার উপর কথা জমে পাহাড় হয় । কেউ আশে পাশে না থাকলে অস্পষ্ট বুলি আউড়াই । হু হা করি ,... তবুও জমে থাকা কথা গুলো আর লিখতে বসা হয় না । আজ ৮/০৭/২০১৯ । কোনো কিছুই ভালো লাগছে না । এখন প্রায় সন্ধ্যা । একটু পরে প্রিয়তি কে পড়াতে যাওয়ার কথা । ভাবছি যাবো না । নিজকে গুটিয়ে নিয়ে শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করছে । এতক্ষণ ঝুম বৃষ্টি হচ্ছিল । এখন আবার থেমে গেছে । এই থেমে যাওয়া টা হঠাত কেমন যেনো কষ্টের জন্ম দেয় । ভাবছিলাম বৃষ্টির বাহানা দিয়ে টিউশনি কামাই করবো । সেটা আর মনে হয় করা গেলো না । মাঝে মাঝে ফাকি দিতে মন চায় । পৃথিবীর সব কিছু থেকে ফাকি দিয়ে নিজেকে নিয়ে একা একা থাকতে ইচ্ছা হয় খুব । আসলেই ক...

চির অধরা

রুবা..!! এই রুবা...!!! আমার কথা শুনতে পাচ্ছো..?? কি হলো উত্তর দাও..! এই যে আমি তোমার সামনে। দেখা যায় না আমাকে...???? রুবা....!!! নাহ,,,এভাবে ডাকাডাকির কোনো মানে নেই। ও আমার কথা শুনতে পারছে না   আর শুনতে পারার কথাও না। ও এখন অন্য জগৎ এর বাসিন্দা । এই একটু আগেই গলা টিপে মেরে ফেললাম আমি । আহা..! কি নরম ফর্সা লম্বা গলা ..!! দেখলেই টিপে ধরতে ইচ্ছে করে ..! এই ইচ্ছে টা অতিব কষ্টে এতোদিন দমিয়ে রেখেছিলাম । আজ পূর্ণ হয়ে গেলো। অহ বলাই হয় নি ।  রুবা আমার বিয়ে করা বউ । ওকে প্রথম আমার গলা টিপে ধরতে ইচ্ছে হয়েছিলো বাসর রাতে. .! এতো সুন্দর গলা । আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম । বার বার মনে হয়েছিলো আমি ওর যোগ্য নই ,এতো সুন্দরী মেয়ে আমার ঘরে কেনো আসবে. .?? পৃথিবীতে টাকা টাই কি সব ? আমার অনেক টাকা আছে সত্য কিন্তু রসকষ বোধ একদম ই নেই !! যতটুকু জানি সুন্দরী মেয়েরা রসিকতা পছন্দ করে । ফর্সা গোল গাল চেহারার সুন্দরী ছেলের দল সস্তা রসিকতায় ওদের মাতিয়ে রাখবে আর ওরা হেসে কুটিকুটি হবে ..! যার একটিও আমার মাঝে নেই । আমি একা থাকতে পছন্দ করি । নিজের চারিপাশে অদৃশ্য এক দেয়ালে নিজেকে আটকে রাখি । ...

ভাগশেষ

সব ভালো লাগা সব সময় ভালো লাগে না... লাগবেও না । আমার সব খারাপ লাগা গুলো তোমার কাছে দিলাম... যত্ন করে রেখো । সময় পেলেই আসবো ... একটু মন খারাপের কারণ হইয়ো তখন ... উদাস দুপুরে,পড়ন্ত বিকেলে...শীতের সকালে ... নির্ঘুম রাতে শূন্যতার কারণ হইয়ো ... বিস্তর শূন্যতা ছড়ায় দিয়ো ... । হাসি খুশির এই ভর পুর জীবনে হঠাত শূন্যতার প্রয়োজন পড়তে পারে । শূন্যতা অনুভব করতে মন চাইবে । তখন যেনো তোমাকে পাশে পাই ... তোমায় না পাওয়ার এক বিস্তর শূন্যতায় যেনো হারাই । সুযোগ দিয়ো ...সুযোগ রেখো । রাখবে তো...? । কোনো কিছুই তো হারায় না কোনো কিছুই বদলায় না কোনো কিছুই শেষ হয় না ... শুধু সময় হারিয়ে  যায়... সময় বদলে যায় ... সময় শেষ হয়ে যায় । হিসেব রেখো ...হিসেব রেখো ।। কোনো একদিন হঠাত সময়ের হিসেব টা চেয়ে বসতে পারি । । আমার দিন গুলো তোমার ঘড়ির কাটায় সেকেন্ড হয়ে ঘুরে আর , আমি শত সহস্র শতাব্দী পাড় করি আমার ঘন্টার কাটায় !!! সময়ের হিসেব টা বড়ই গোলমেলে ! বসি বসি করে আর বসা হয় না । একদিন খাতা নিয়ে বসবো ।। । অনেক হিসেব বাকি । আমার অংকের খাতায় তুমি কাটাকুটি খেলেছো নির্দ্বিধায় ! হাতে ভাগ শেষ রেখেও অংক ...

এক টুকরো ভালো লাগা

ঘড়িতে ৩:৫৮ বাজে,,ধরতে গেলে ৪:০০ টাই,,, সময়টা কে কি বলবো,,বুঝতে পারছি না,,ভোর ৪টা,,নাকি রাত ৪টা !!! হঠাৎই খুব ভালো লাগা শুরু করেছে,, ,পরিবেশ টা আমার অতি প্রিয়।  বাইরে বৃষ্টি ,,সব নীর, ,হালকা গান শুনছি. . সব মিলিয়ে অসাধারণ!  নাহ,,মন্দ না.. জীবন টা সুন্দর ই.. অনেক সুন্দর  !  নিজের ব্যখ্যা নিজে তৈরি করেছি!  আমার টাইম জোন টা বড্ড রহস্যময় !! আজ ২৬-২-১৯! প্যারালাল কোনো জগতে আরেকটা আমি একই সময়ে কি করছে ..? ওর অনুভূতিও কি সেইম ..? অগুছালো প্রশ্ন মনে ঘোরাঘুরি করছে .. আমি গুছানোর সময় পাচ্ছি না. .! থাক না. .. যে যেমন টা আছে .. একাকিত্ব এর এক অগোছালো জগতে অনুভূতি রা প্রজাপতি হয়ে উড়াউড়ি করে ..আমি কখনো ইগল হয়ে ধাওয়া করি তার পিছু,,কখনো বা রঙধনু হয়ে তার পাশে রঙ ছিটাই .. কখনো বা গানের সুর মিলাই বেসুরো গলায়.. . টুপটাপ শিশির ঝরে পড়ে, আমি তার শব্দ শুনি ,,ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে জেগে থাকি ..                       

রঞ্জু ভাই,,ক্ষণিকের পরিচয়.. ট্রেন যাত্রায়..

আজ এমন একটা মানুষ কে নিয়ে কথা বলবো...যেটা বলাটা অনেকের কাছেই অর্থহীন মনে হবে.. অর্থহীন ব্যপারটা আসলে কি..? যেখানে অর্থ নাই..?? মানুষ কি অর্থ ছাড়া টাকা পয়সা ছাড়া কিছুই করে না..?? করে করে...অনেক কিছুই করে... মাঝে মাঝে মনে হয় অর্থহীন কাজ করতেই মানুষ বেশি ভালোবাসে.. কেউ একজন কে খুব ভালোবাসতাম...কই কোনো অর্থ তো পাই নি..! তবু কেন বাসলাম ভালো..? এর পেছনে লজিক কি..! বলা মুশকিল ... জীবন রহস্য আর রহস্যতে ঘেরা. .! যাইহোক....অন্যদিকে চলে যাচ্ছি..যেটা বলতে আসলাম,সেইটা ই বলা শুরু করতে পারলাম না..! শুরু করছি... অক্টোবর মাস,২০১৮...আমার তৃতীয় সেমিস্টার এক্সাম সবে শেষ হলো.. সব মিলিয়ে মন প্রচন্ড খারাপ...আস্তে আস্তে সেই প্রভাব শরীরে ছড়িয়ে পরতে শুরু করেছে. .আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি ... মন কেন খারাপ..সেটা না বলি...কথা কিছু থাক না আড়ালে.. আমার টোটাল সিস্টেমে গন্ডোগোল   শুরু হয়ে গেছে অলরেডি .! আমি নিশ্চুপ... চুপচাপ খাই..ঘুমাই..নেট ব্রাউজ করি ... এলোমেলো ঘুরাঘুরি করি নেটে  । একটা রিফ্রেশমেন্ট চাইছিলাম.. হঠাৎ ঠিক হলো আমি ঢাকা যাচ্ছি আন্টির বাসায় ঘুরতে. .. হুটহাট ডিসিশন ...দুপুরে ...

অন্তু ভাই

আজ গল্প বলবো অন্তু ভাই কে নিয়ে.... যদিও গল্প বলার মতো ইম্পরট্যান্ট ক্যারেক্টার উনি না.. তার পরেও...বলবো.. লাইফে যতগুলা মানুষ এর সাথে পরিচয় হয়েছে..আমার..সবাই কেই নিয়ে টুকটাক কিছু না বলা কথা থেকে গেছে..! যেসব কখনো বলা হয় নি..! আর বলবোই বা কাকে..! সবাই ব্যস্ত ..! যাই হোক..শুরু করি। অন্তু ভাই কে..? উনার ভালো নাম অনুপম। মেডিকেল স্টুডেন্ট এখনো রানিং অবস্থায় আছে..এখন বলতে আজ ৬/১০/২০১৮ সময় বুঝিয়েছি। তার সাথে পরিচয় ও হয়েছিল আমার সেই বন্ধু রাহাতের মাধ্যমে। এডমিশন টেস্ট এর আগে ওর মনে হয়েছিলো মেডিকেলের কোনো বড় ভাই এর কাছে পড়লে অনেক ভালো হবে.. যে ভাবা সেই কাজ.. আমরা দুজন পড়া শুরু করলাম উনার কাছে । খুবই ব্রিলিয়ান্ট পারসন। ক্লোজ হয়ে গেলাম খুব অল্প দিনেই। প্রথম দিকে উনি বাসায় এসে পড়াতে,, পরে যেনো কি একটা সমস্যা হলো...খেয়াল নেই। তখন জানালেন,বাসায় আসা পসিবল না ..! আমরা দুজন উনার এতটাই ভক্ত ছিলাম যে,বলে দিলাম দরকার হলে ,,,আমরা আপনার হলে গিয়ে পড়বো ।  তারপরেও আপনাকে চাই ..!          (চলবে...)       

রাহাত..!!! আমার ক্ষনিকের বন্ধু, জনম-জন্মান্তরের স্মৃতি..!!!

রাহাতের কথা খুব মনে পড়ছে.. রাহাত কে.? ও ছিলো আমার কলেজের বন্ধু..একসাথে পড়তাম কিন্তু তেমন একটা পরিচয় ছিলো না... ওর সাথে আমার পরিচয় হয় ভালো ভাবে এডমিশন টেস্ট এর সময়.... ও খুবই ফুর্তিবাজ একটা ছেলে.. সেই সাথে আবেগ প্রবণ ও! ২জনে মিলে একটা বাসা ভাড়া নিয়েছিলাম. .. আহা... কতই না মধুর ছিলো সময় গুলো..! কতো হাসি কতো দুঃখ ২জনে শেয়ার করতাম .. ঘুরাঘুরিও করতাম.. কিন্তু আমি যতটা পড়তাম,, ও কিন্তু একটুও পড়তো না.. শুধু ফুর্তি করে বেড়াতো ... প্রথম দিকে ওকে একটুও দেখতে পারতাম না আমি.. খুবই বিরক্ত লাগতো. .. আর ওর চলাফেরা তে আমি অভ্যস্ত ছিলাম না,, হয়তো বা তাই...! কিন্তু আস্তে আস্তে বুঝতে পারলাম... ওর ভেতরে কোমল একটা মন আছে.. সেই মনে অফুরন্ত আনন্দ । থাকতাম ২রুম এর একটা বাসায় ৩য় তলাতে... আস্তে আস্তে ভাব হয়ে গেলো আমাদের..! ওর জীবনের অনেক গল্প আমার সাথে করতে লাগলো... আমিও টুক টাক বলতাম... কিন্তু আমার গল্প গুলা ছিলো নিরামিষ টাইপের আর ওর গুলায় আমিষ এর কোনো কমতি ছিল না...!! আমি গল্প শুনে যতটা না মজা পেতাম,, ও আমাকে গল্প বলে তার চাইতে কয়ে...

পৃথিবী ব্যস্ত ...বড্ড ব্যস্ত ...!!

গল্পের আড়ালেও গল্প থাকে ... সেসব গল্প শোনার সময় কার...?? কে শুনবে ...? সামনের গল্প শুনতে শুনতেই ঘণ্টা পড়ে যায়...খাতা নিয়ে যায় গার্ড ! এতো সময় কই...? ছবির আড়ালেও ছবি থাকে ... সেসব ছবি দেখার সময় কার...? দৃশ্যমান ছবি দেখতে দেখতেই চারিদিকে আঁধার নেমে আসে...! ফুরায় দিনের আয়োজন... কেউ জানেই না যে রাতের বেলায় ও চাঁদ কে পাওয়া যায় ... গগণ বিদারী জোছনা উঠে ... অদৃশ্য কতো কিছুই ভেসে উঠে চোখের সামনে । এতো সময় কই...?? কান্নার আড়ালেও কান্না থাকে ... সেই কান্না শুনবে কে? আসল কান্না শোনার ই টাইম নাই...! আবার আড়ালের কান্না...! পৃথিবী ব্যস্ত ...বড্ড ব্যস্ত ...!!

আমি নির্বাক !!!

মাঝে মাঝে মনে হয় সন্ন্যাসী টাইপ কেউ হয়ে গেছি... কোনো স্পিরিচুয়াল পাওয়ার এসে ভর করেছে আমার উপরে... যা ভাবি তাই ই হয়ে যায়... যা চিন্তা করি তেমন কিছুই ঘটে বসে থাকে... যেসব জানার বিন্দু মাত্র ইচ্ছা কিংবা আগ্রহ কোনোটাই আমার নেই...! আমি নির্বাক !!! বিষয় টা বিরক্তিকর এবং একই সাথে ভয়ঙ্কর ও বটে...!! কারণ সত্যি তো সবসময় মধুরতম হয় না... বেশির ভাগ টাইমেই সত্যি তিক্ত হয়... আমি সাধারণ হয়ে বাঁচতে চাই ... কোনো স্পিরিচুয়াল পাওয়ার নিয়ে না... তিক্ত সত্যির চাইতে মধুরতম মিথ্যা অনেক ভালো ।। "সত্যি" চিরস্থায়ী ... মিথ্যা ক্ষণস্থায়ী ... আর ক্ষণস্থায়ী জিনিস এর উপর মানুষের আকর্ষণ আজম্নের... যুগ থেকে যুগান্তরের...